হামলার ১৩ দিন পর বৃদ্ধা সুমিত্রার মৃত্যু, পাইকগাছা থানায় অভিযোগ দায়ের
খুলনার পাইকগাছায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত বৃদ্ধা সুমিত্রা ঘোষ (৭০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে পাইকগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের দক্ষিণ সলুয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত রঞ্জন ঘোষের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমিত্রা ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির পাশের একটি ঘরে একাই বসবাস করতেন। তিনি গরু-ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সম্প্রতি কোরবানির ঈদ উপলক্ষে একটি গরু প্রায় ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই টাকা লুটের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়।
গত ২৩ জুন গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত তার বাড়িতে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুটা উন্নতি হওয়ায় গত ৪ জুলাই তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তিনি মারা যান।
নিহতের ছেলে নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ জানান, তার মায়ের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, নিহতের ছেলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার পাইকগাছায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত বৃদ্ধা সুমিত্রা ঘোষ (৭০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত মারা গেছেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে পাইকগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের দক্ষিণ সলুয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত রঞ্জন ঘোষের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমিত্রা ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে বসতবাড়ির পাশের একটি ঘরে একাই বসবাস করতেন। তিনি গরু-ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সম্প্রতি কোরবানির ঈদ উপলক্ষে একটি গরু প্রায় ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই টাকা লুটের উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়।
গত ২৩ জুন গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত তার বাড়িতে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুটা উন্নতি হওয়ায় গত ৪ জুলাই তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তিনি মারা যান।
নিহতের ছেলে নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ জানান, তার মায়ের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, নিহতের ছেলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।