দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের স্মরণে কেশবপুরে র‍্যালি ও সমাবেশ

25

কেশবপুর :

শহীদ আবু সাঈদসহ দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের স্মরণে যশোরের কেশবপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ১১ দলীয় ঐক্য, কেশবপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিকেলে গাজীর মোড় থেকে একটি বিশাল র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। শহীদদের স্মরণে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় ঐক্যের উপজেলা সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেশবপুর উপজেলা শাখার নায়েবে আমির সাইদুর রহমান সাইদ বলেন, শহীদ আবু সাঈদসহ দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির বিবেককে জাগ্রত রাখার এক অবিনাশী প্রেরণা। তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নাগরিক অধিকার সমুন্নত রাখা আমাদের নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে শহীদদের জীবনাদর্শ তুলে ধরতে হবে, যাতে তারা দেশপ্রেম, সততা, মানবিকতা ও ন্যায়পরায়ণতার শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপি কেশবপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সম্রাট হোসেন বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারে না। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁদের অবদান নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি তবিবর রহমান, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান, মাওলানা আব্দুল মোমিন, পৌর জামায়াতের আমির জাকির হোসেন, শিবিরের পৌর সভাপতি বোরহান উদ্দিন, এনসিপির নেতা ইমনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশ শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।