দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে শার্শায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন

23

শার্শা :

বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালকে ঘিরে যশোরের শার্শা উপজেলায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন। প্রিয় দল আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে শত শত ফুটবলপ্রেমী এই আয়োজনে অংশ নেন।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বেনাপোল বাইকারহুডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শোডাউনে প্রায় ২০০টি মোটরসাইকেল ও কয়েকশ সমর্থক অংশগ্রহণ করেন। এ সময় পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবমুখর পরিবেশে।

শোভাযাত্রাটি বেনাপোল বলফিল্ড থেকে শুরু হয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট, আন্তর্জাতিক নোম্যান্সল্যান্ড এলাকা, বন্দর সড়ক, নাভারণ বাজারসহ শার্শার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেনাপোল পৌর গেটে এসে শেষ হয়।

শোডাউনে অংশগ্রহণকারীরা আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি পরিধান করেন। অনেকের হাতে ছিল আর্জেন্টিনার পতাকা, আর মোটরসাইকেলগুলোতেও শোভা পায় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন। এ সময় সমর্থকরা প্রিয় দলের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আয়োজকরা জানান, সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। শোডাউনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন।

অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেন বেনাপোল বাইকারহুডের পরিচালক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ। আয়োজনে সহযোগিতা করেন সংগঠনের অ্যাডমিন শহিদুল ইসলাম শহিদ, মফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান ও আতিকুজ্জামান রিমুসহ অন্যান্য সদস্যরা।

আয়োজক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে শার্শার বিভিন্ন এলাকা থেকে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা একত্রিত হয়েছেন। প্রায় ২০০টি মোটরসাইকেল নিয়ে তারা বেনাপোল থেকে চেকপোস্ট, নোম্যান্সল্যান্ড ও নাভারণ বাজার প্রদক্ষিণ করেন। ফুটবলকে ঘিরে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, সবাই যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেন, সেটিই তাদের প্রত্যাশা।

অংশগ্রহণকারী ফুটবলপ্রেমীরা বলেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। সেই ভালোবাসা থেকেই তারা এই শোডাউনে অংশ নিয়েছেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালকে সামনে রেখে শার্শা ও বেনাপোল এলাকায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।