দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় মোংলায় ৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ

46

মোংলা :

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার সক্ষমতা বাড়াতে বাগেরহাটের মোংলায় ৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) কারিগরি সহায়তা ও গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) অর্থায়নে এবং নবলোক পরিষদের বাস্তবায়নে এসব চারা বিতরণ করা হয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোংলা উপজেলার চিলা, মিঠাখালী, চাঁদপাই ও সুন্দরবন ইউনিয়নের ৫০০ জন উপকারভোগীর প্রত্যেককে বিভিন্ন প্রজাতির ১০টি করে গাছের চারা ও কলম দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুটি করে নারিকেল, সুপারি, সফেদা, কদবেল ও নিমগাছের চারা। পাশাপাশি চারার সুরক্ষা ও পরিচর্যার জন্য প্রত্যেক উপকারভোগীকে ২৭ গজ করে মোট ১৩ হাজার ৫০০ গজ ব্লু-নেট সরবরাহ করা হয়েছে।

সোমবার চাঁদপাই ও চিলা ইউনিয়নের ২৩০ জন নির্বাচিত উপকারভোগীর মধ্যে চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন হাওলাদার পনি। সভাপতিত্ব করেন জিসিএফ-আরএইচএল প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী কাজী তোবারক হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু হোসেন হাওলাদার পনি বলেন, উপকূলীয় মোংলা অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের নানা প্রভাব মোকাবিলায় বাড়ির আঙিনা ও বসতভিটায় বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য উন্নয়নের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ফল ও কাঠজাত সম্পদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের অতিরিক্ত আয় ও খাদ্যনিরাপত্তার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

নবলোক পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জিসিএফ-আরএইচএল প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো উপকূলীয় অতিদরিদ্র ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি কমানো এবং জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই জীবন-জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি করা। বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যা এ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম।

বিতরণ করা চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ, পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু সহনশীল বসতভিটা গড়ে উঠবে বলে আশা করছেন প্রকল্পের উপকারভোগী ও সংশ্লিষ্টরা।