দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

শার্শা ও বেনাপোলের বিভিন্ন বাজারে কাচাঁ মরিচের দাম কমে অর্ধেকে নেমেছে 

11
বেনাপোল :

যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সহ বিভিন্ন বাজারে কাচাঁ মরিচের দাম কমে অর্ধেক দামে ১৬০ টাকায় হচ্ছে।  ৫দিন আগেও এসব বাজারে ৩০০ টাকায় কাচাঁ মরিচ বিক্রি হয়েছে। সারাদেশে কাচাঁমরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু করে। গত ৫দিনে ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে ৮০ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে।

গত সোমবার প্রথম চালানে রাত ৮টার দিকে একটি ভারতীয় ট্রাকে ৯,২০০ কেজি (৯.২ টন), মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় চালানে তিনটি ট্রাকে ৪২,২২০ কেজি(৪২.২২ টন), বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ১৪,০০০ কেজি(১৪ টন) এবং শনিবার (৮ আগষ্ট) সন্ধ্যায় একটি ট্রাকে ১৫,০০০ কেজি (১৫ টন) কাচাঁ মরিচ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এ নিয়ে গত ৫ দিনে ৮০ টন কাঁচা মরিচ বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। আমদানি শুরু হওয়ায় শার্শা উপজেলার সব বাজারে মরিচের দাম অর্ধেক কমে বর্তমানে বাজারে ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মরিচ আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম জানান, ভারত থেকে ৩০৫ ডলারে প্রতি টন কাঁচামরিচ আমদানি করা হচ্ছে। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রতি কেজি কাঁচামরিচ আমদানিতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা। সামান্য লাভ রেখে আমরা বাজারে বিক্রি করছি। আমদানি বাড়লে বাজারে মরিচের দাম আরও কমে আসবে। তবে কাস্টমসের হয়রানি ও পণ্য ছাড়করণে জটিলতার কারণে রাজস্ব বেশি গুনতে হচ্ছে। এতে আমদানিকারকরা লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে জানা গেছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ, বিশেষ করে নাসিক থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৬৯ জন ব্যবসায়ী মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) পেয়েছেন এবং সোমবার থেকেই আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিকে, বেনাপোল বন্দরের কাঁচাবাজারে ৫দিন আগেও প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেলেও আজ রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৮০ টাকায়। বিক্রেতারা আশা করছেন আমদানি বাড়লে বাজারে দাম কমে ১০০,র নীচে নেমে আসবে।

ভারত থেকে আমদানিকৃত কাচাঁ মরিচের চালান বন্দরে ঢোকার সাথে সাথে তার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানোই দ্রুত দাম কমে আসছে। এ চালানের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো শিমু এন্টারপ্রাইজ এবং বন্দর থেকে খালাস কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট শিমু শিপিং লাইন্স।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন জানান, মরিচবাহী ট্রাক বন্দরে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সীমান্তের ওপারে আরও কাঁচামরিচবাহী অনেকগুলো ট্রাক বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রেরক