ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বেঁ শহরে আজ শুরু হচ্ছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭-এর তিন দিনব্যাপী বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এতে অংশ নিতে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা ইতোমধ্যে ফ্রান্সে পৌঁছেছেন।
সম্মেলন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ৬০ দিনের আলোচনার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রয়োজন হলে ফ্রান্স মাইন অপসারণে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ ও বিমান মোতায়েন করতে প্রস্তুত।
ম্যাক্রোঁ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ-চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz উন্মুক্ত রাখতে হবে। এর আগে Donald Trump মন্তব্য করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত থাকবে।
এবারের জি-৭ সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ইস্যুর পাশাপাশি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, চীনের কথিত অন্যায্য প্রতিযোগিতা, অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় স্থান পাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এবারের জি-৭ সম্মেলনের সিদ্ধান্তগুলো আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।