খুলনা :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর যুবদল ধারাবাহিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ৫ম দিনে নগরীর ১৬ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১২টায় নগরীর বয়রা বাজার সংলগ্ন হাজী ফয়েজ উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন এবং সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল হোসেন, রকিবুল ইসলাম রকিব, গোলাম জুলকার নাইন, হাবিবুর রহমান কাজল, ২১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক রুবেল জমাদার, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান বেলাল, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক আলামিন দেওয়ানসহ মহানগর যুবদল ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড যুবদলের নেতাকর্মী, কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুল আলম তুহিন বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথিরা বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশনায় যুবদলের নেতাকর্মীরা শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই নয়, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।
বক্তারা আরও বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।