খুলনা :
প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বেলা ১২টায় খালিশপুরের মুজগুন্নি খুলনা নেসারিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ সাদি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচি দেশের পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় একটি সময়োপযোগী ও দূরদর্শী উদ্যোগ। এ কর্মসূচিতে ওলামা দল খালিশপুর থানা শাখার সম্পৃক্ততা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; চারাগুলো বড় হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ওলামা দল খালিশপুর থানা শাখার আহ্বায়ক মাওলানা মো. ইলিয়াছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা মো. শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওলামা দল খুলনা মহানগর শাখার সদস্য সচিব হাফেজ আল আমিন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা আজমল হোসেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, হাফেজ তরিকুল ইসলাম, হাফেজ আব্বাস আলী, হাফেজ সাইদুল ইসলাম, মাওলানা আজিজুল ইসলামসহ খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা ওলামা দলের নেতৃবৃন্দ, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ এবং সেসব গাছের যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। তারা আরও বলেন, ওলামা দল ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক, পরিবেশবান্ধব ও জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিত বাস্তবায়ন করে আসছে।
শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।