দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

বাফার গুদামে চাঁদাবাজির ঘটনায় তদন্ত কমিটি

29

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বিসিআইসি’র বাফার সার গুদামে পৌরসভার টোলের নামে চাঁদাবাজি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে আরটিভি অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে বিসিআইসি। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে বাণিজ্যিক শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ রেজাউল করিমকে প্রধান করে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বর্তমানে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন

স্থানীয় ডিলার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গুদামে সার বাস্তবে খালাস না করেই কাগজপত্রে ছাড়পত্র প্রদান, অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা গ্রহণ এবং পছন্দের ডিলারদের দ্রুততম সময়ে সার পাইয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন ইনচার্জ। গুদামে যোগদানের পর থেকেই সরকারি বিধি উপেক্ষা করে নিজস্ব একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তিনি এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেটের কারণে বাড়তি খরচ বহন করতে গিয়ে প্রান্তিক ডিলাররা বেশি দামে সার বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে সরকার নির্ধারিত প্রতি বস্তা ইউরিয়া সারের মূল্য ১৩৫০ টাকা বাজারে সঠিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না। এছাড়া ডিসপাসের নামে দীর্ঘদিন ধরে গুদামেই সার আটকে থাকায় ইউরিয়া সার জমাট বেঁধে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

বাফার গুদামের তথ্য অনুযায়ী, কালীগঞ্জ বাফার গোডাউন থেকে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ১২টি উপজেলার সার বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই গুদামের অধীনে মোট ১২৬ জন নিবন্ধিত বিসিআইসি ডিলার রয়েছেন।

তদন্তকারী প্রধান কর্মকর্তা বাণিজ্যিক শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বিসিআইসির নির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত কাজ চলমান আছে। মাঠ পর্যায়ের ভুক্তভোগী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলে লিখিত তদন্ত রিপোর্ট কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হবে।

 

কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ বলেন,সারের গোডাউনে ডিসপাস হচ্ছে এমন অভিযোগে আমি সরেজমিনে গোডাউনে গিয়েছিলাম।

 

বিষয়টি নিয়ে গোডাউন ইনচার্জের সঙ্গে কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।