দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

মেহেরপুরে যাত্রী সেজে ইজিবাইক চুরির অভিযোগ, পুলিশের তদন্তে গাফিলতির দাবি

34

মেহেরপুর :

মেহেরপুরে যাত্রী সেজে এক ইজিবাইকচালককে কৌশলে নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ে গিয়ে ইজিবাইক চুরির অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও তদন্তে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। দ্রুত ইজিবাইকটি উদ্ধার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর সকালে মো. রফিজ উদ্দিন মেল্লা নামের এক ব্যক্তি তার ইজিবাইক নিয়ে ভাড়ার উদ্দেশ্যে বের হন। আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে মেহেরপুর সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থানকালে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি চুলকানির মোড় নতুনপাড়ায় যাওয়ার কথা বলে ইজিবাইকে ওঠেন।

পরে চুলকানির মোড় নতুনপাড়ায় পৌঁছে ওই ব্যক্তি একটি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে চালককে জানান, বাড়ির ভেতরে তার স্ত্রী ও একটি ব্যাগ রয়েছে। সেগুলো নিয়ে আসার জন্য তিনি চালককে বাড়ির ভেতরে যেতে বলেন। তার কথা বিশ্বাস করে চালক বাড়ির ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে দেখতে পান, বাড়িটিতে তালা দেওয়া। সেখানে ওই ব্যক্তির স্ত্রী কিংবা কোনো ব্যাগের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এরপর চালক বাড়ির বাইরে এসে দেখেন তার ইজিবাইকটি সেখানে নেই। একই সঙ্গে যাত্রী হিসেবে থাকা ওই ব্যক্তিকেও আর পাওয়া যায়নি। আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ইজিবাইকটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

চুরি যাওয়া ইজিবাইকটির পেছনে ‘পিয়াল অটো-৯৫ মাসুম পরিবহন’ এবং সামনের গ্লাসে ইংরেজিতে ‘Hanif Paribahan’ লেখা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ইজিবাইকচালকের ছেলে মো. মাসুম বিল্লাহ (২০) মেহেরপুরের সংশ্লিষ্ট থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টা থেকে ১২টা ২০ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময় ইজিবাইকটি নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকতে পারে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করার পরও এখন পর্যন্ত কার্যকর তদন্ত, তথ্য যাচাই-বাছাই কিংবা পর্যাপ্ত অনুসন্ধান করা হয়নি। ফলে দ্রুত ইজিবাইকটি উদ্ধারে পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে ইজিবাইকটি উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।