দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

রামপালে খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই

প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে চীনা প্রতিনিধি দল

42

মোংলা :

বাগেরহাটের রামপালে প্রস্তাবিত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছে একটি চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি দল। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে প্রতিনিধি দলটি প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) প্রশাসক ও খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, চীনা কোম্পানির প্রতিনিধি মি. পিটারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় বিমানবন্দরের জন্য ৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে রয়েছে।

পরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিমানবন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে আরও পাঁচ শতাধিক একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও আংশিক ভূমি ভরাটের কাজও সম্পন্ন করা হয়। সরকার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেও কোনো দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ না দেখানোয় নির্মাণকাজ এগোয়নি।

পরিদর্শন শেষে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মিত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নীল অর্থনীতির বিকাশ, ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল সম্প্রসারণ, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের উন্নয়ন, পণ্য পরিবহন এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীনা প্রতিনিধি দলের প্রধান মি. পিটার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছি। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব। প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে আমরা আন্তরিক।”

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত হলে দীর্ঘদিনের স্থবির এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।