দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

পাইকগাছার লতায় ইউপি সদস্যকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

22

খুলনা:

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কুমারেশ মণ্ডলকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, পরিবারটি প্রায় ৫৫ বছর ধরে ডিসিআর (ডিসি আরোপিত বন্দোবস্ত) প্রাপ্ত জমিতে বসবাস করে আসছে। অথচ একটি মহল তাঁকে নদীর জমি দখল করে বসবাসের অভিযোগে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে।

কুমারেশ মণ্ডল উপজেলার পুটিমারী গ্রামের কৃষ্ণপদ মণ্ডলের ছেলে। তিনি জানান, বর্তমান বসতবাড়িতেই তাঁর জন্ম এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি বৈধভাবে সেখানে বসবাস করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লতা ইউনিয়নের উলুবুনিয়া নদীর পাশের এসএ ৪২ খতিয়ানভুক্ত প্রায় ৫২ একর ভিপি (বর্তমানে বিআরএস ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত) সম্পত্তি বহু বছর ধরে ডিসিআর বন্দোবস্তের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ভোগদখল করে আসছেন। এসব জমির বিভিন্ন অংশে কেউ মাছের ঘের পরিচালনা করছেন, কেউ লিজ দিয়েছেন, আবার অনেকে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন।

জানা গেছে, ইউপি সদস্য কুমারেশ মণ্ডলের ভাই প্রশান্ত মণ্ডলও ওই ডিসিআরপ্রাপ্ত জমির একজন ভোগদখলকারী। একই জমিতে কুমারেশ মণ্ডল ও তাঁর পরিবারের চার ভাই দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন।

স্থানীয় বিএনপি নেতা ইব্রাহিম গাজী বলেন, এসএ ৪২ খতিয়ানের প্রায় ৫২ একর ভিপি সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে ডিসিআর বন্দোবস্তের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবহার করছেন। তিনি নিজেও একসময় ওই এলাকায় লিজ নিয়ে মাছের ঘের পরিচালনা করেছেন বলে জানান।

সাবেক জেলা বিএনপি নেতা মিরাজুল ইসলাম মিরাজ বলেন, ইউপি সদস্য কুমারেশ মণ্ডল ও তাঁর পরিবারের বসতবাড়ি ডিসিআরপ্রাপ্ত জমির ওপর অবস্থিত। তাঁদের পরিবারের পাশাপাশি তাঁর নিজেরও সেখানে প্রায় ২০ একর ডিসিআর বন্দোবস্তকৃত জমি রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রণজিৎ দে বলেন, নদীর জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ সঠিক নয়। তাঁর নিজেরও ওই এলাকায় প্রায় ৫ একর ডিসিআরপ্রাপ্ত জমি রয়েছে।

ইউপি সদস্য কুমারেশ মণ্ডল বলেন, “আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে আমার ও আমার পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। এটি আমাদের পারিবারিক বসতভিটা। ডিসিআরপ্রাপ্ত জমি নদীর জমি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। সবাইকে এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”