দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

ময়মনসিংহে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, প্রতিবাদে দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ

134

ময়মনসিংহ :

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও সংলগ্ন এলাকায় শতাধিক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। এ অভিযানের প্রতিবাদে জেলা মোটর মেকানিক সমিতির নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে খননযন্ত্র ব্যবহার করে অবৈধভাবে নির্মিত কংক্রিটের স্থাপনাসহ বিভিন্ন দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ভেতরে অবৈধভাবে অন্তত শতাধিক দোকান নির্মাণ করে জায়গা দখল করে রেখেছিল। এছাড়া ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশেও গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। টার্মিনালের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত ও দখলমুক্ত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের সময় জেলা মোটর মেকানিক সমিতির কার্যালয়ের একটি অংশও ভেঙে ফেলা হলে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে বিকেল ৩টার দিকে সমিতির নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা ঢাকা বাইপাস এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং যান চলাচল ব্যাহত হয়।

জেলা মোটর মেকানিক সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি জুলহাস উদ্দিন অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সিটি করপোরেশন তাদের সমিতির কার্যালয়ের একাংশ ভেঙে দিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদেই তারা সড়ক অবরোধে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গোলাম মওলা জানান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রতিবাদে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান সরকার রোকন বলেন, বাসস্ট্যান্ডে বাস রাখার পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলেও অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে জায়গা দখল করা হয়েছিল। এসব স্থাপনার কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।