দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

সলামী ব্যাংক চেয়ারম্যান অপসারণ ও আমানত সুরক্ষার দাবিতে কলম বিরতির আহ্বান

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষা, এস আলম গোষ্ঠী বয়কট ও পুলিশি হামলার প্রতিবাদ

70

কেশবপুর যশোর প্রতিনিধি:ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অপসারণ, আমানতকারীদের অর্থের সুরক্ষা, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকের ওপর বিতর্কিত গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার দাবিতে ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি এক ঘণ্টার প্রতীকী কলম বিরতির আহ্বান জানিয়েছে “ইসলামী ব্যাংক রক্ষার্থে সচেতন গ্রাহক ফোরাম, কেশবপুর উপজেলা”।

সোমবার (৮ জুন) সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামী ব্যাংকের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিচালনা ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপ ও তাদের সহযোগীদের বয়কটের আহ্বান জানিয়ে ব্যাংকের স্বাধীন ও গ্রাহকবান্ধব পরিচালনা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ, আমানতের নিরাপত্তা এবং গ্রাহকদের ন্যায্য দাবিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উদ্বেগের মধ্যে আন্দোলনরত গ্রাহকদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে সংগঠনটি বলেছে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী গ্রাহকদের ওপর বলপ্রয়োগ গণতান্ত্রিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী।

সংগঠনের নেতারা বলেন, “ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত শক্তি হলো এর কোটি কোটি গ্রাহক ও আমানতকারী। তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা ব্যাংকের প্রতি জনআস্থাকে আরও দুর্বল করবে। তাই ব্যাংককে সব ধরনের বিতর্কিত প্রভাব থেকে মুক্ত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমানতকারীদের অর্থের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ব্যাংকের সুশাসন পুনরুদ্ধার করা এবং গ্রাহকদের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলার লক্ষ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক ঘণ্টার প্রতীকী কলম বিরতিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সচেতন গ্রাহক ফোরাম সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, দেশের অন্যতম বৃহৎ ইসলামী ধারার ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের স্থিতিশীলতা ও সুনাম রক্ষা জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, আমানতকারীদের অধিকার এবং ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।