দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় উদ্ভাবনী দল

28

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় :

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ অংশ নিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি উদ্ভাবনী দল। দেশের প্রায় আট শতাধিক উদ্ভাবনী প্রকল্পের মধ্যে সেরা ৫০-এ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ প্রকল্প। এর মাধ্যমে প্রকল্পটির দলনেতা আজমাইন ইনকিয়াদ হক প্রধানমন্ত্রীর সামনে সরাসরি নিজেদের উদ্ভাবন উপস্থাপনের সুযোগ পান।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর উদ্বোধন হয়। ‘Innovation Ecosystem Toward Trillion Dollar Economy’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ মেলায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. জি. এম. আতিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ প্রকল্পটি মেলায় অংশ নেয়। দলের নেতা আজমাইন ইনকিয়াদ হক ও ফাইরুজ জাহিন খান মেলায় প্রকল্পটির উদ্ভাবন ও সম্ভাব্য ব্যবহার তুলে ধরেন।

মেলায় প্রকল্পটি উপস্থাপনের পর স্মার্ট হুইলচেয়ারের উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগে বিভিন্ন পক্ষের কাছ থেকে অর্থায়ন ও সহযোগিতার প্রস্তাব পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে প্রকল্পটির আরও উন্নয়ন এবং ব্যবহারিক প্রয়োগের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

দেশের প্রায় আট শতাধিক প্রকল্পের মধ্যে সেরা ৫০-এ জায়গা করে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ উপস্থাপনের সুযোগ পাওয়াকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতার উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্মার্ট হুইলচেয়ার ছাড়াও মেলায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আটটি দল অংশ নিয়েছে। এগুলো হলো—‘নিও সেভার’, ‘এআই-বেজড ক্যাম্পাস সিকিউরিটি’, ‘ব্লিস সিহাত’, ‘হাই ভোল্টেজ এনার্জি-এফিশিয়েন্ট থ্রিডি প্রিন্টার’, ‘ইকোলিংক’, ‘এআই-পাওয়ার্ড ইসিজি স্ক্রিনিং ডিভাইস’, ‘ট্রু-সাইট’ ও ‘উর্বর আর্থ’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি দল চারজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে মেলায় অংশ নিচ্ছে। তাঁরা হলেন—সিএসই ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. জি. এম. আতিকুর রহমান, ইসিই ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. মাহবুব হোসেন, এফডব্লিউটি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম এবং ইসিই ডিসিপ্লিনের প্রফেসর এস. এম. শামসুল আলম।

এবারের আয়োজনে এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সংযোগ তৈরির পাশাপাশি উদ্ভাবন ও গবেষণাকে শিল্প ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি দলের অংশগ্রহণের ফলে জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।