দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালনে কেশবপুর বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

30

যশোর :

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিত্ব তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে কেশবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি। আগামীকাল ৪ নভেম্বর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) কেশবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন আজাদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল হোসেন আজাদ বলেন, তরিকুল ইসলাম ছিলেন দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র ও জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ, ত্যাগ ও অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। আগামী ৪ নভেম্বর তাঁর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালনে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম শহিদ এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সভায় অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, তরিকুল ইসলাম বিএনপির রাজনীতিতে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় ৪ নভেম্বর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলসহ দিনব্যাপী কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মসূচি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ঐকমত্য প্রকাশ করেন।

তরিকুল ইসলামের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর রাজনৈতিক অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে সভা শেষ হয়।