কয়রা :
খুলনার কয়রায় উপকারভোগীদের সঙ্গে স্থানীয় অংশীজনদের যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে কারিতাস বাংলাদেশ ও অ্যাকসেস বাংলাদেশের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে সিবিএম গ্লোবাল।
মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে এবং প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার হাসিবুল ইসলাম টুটুলের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তা ও উপকারভোগীরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকলে উপকারভোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পথ সহজ হয়। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।
কয়রা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, উপকারভোগীদের প্রয়োজন ও সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে তাদের কৃষি, কর্মসংস্থান ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি দপ্তর ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকল্পের টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর মো. ফিরোজ আল মামুন বলেন, শুধু সহায়তা প্রদান নয়, উপকারভোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় প্রয়োজন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য বিভূতি ভূষণ রায়, আ. মান্নান, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সান্তুনু অধিকারী, প্রকল্পের লাইভলিহুড কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম, ডিআইও জনন পাল চৌধুরী, সহকর্মী রোমিও বিশ্বাস, এনজিও প্রতিনিধি তানিয়া সুলতানা, অ্যাপেক্স বডির সভাপতি শরিফুল ইসলাম মিল্টন, প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তা ওহিদুজ্জামান, আরাফাত হোসেন ও ইসমাইল হোসেনসহ অনেকে।
সভায় উপকারভোগীদের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান, জীবিকা উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় সরকারি-বেসরকারি সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে অংশীজনদের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।