দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

কেশবপুরে ১০১ মন্দিরে দুর্গাপূজা, প্রেসক্লাবে মন্দিরভিত্তিক তালিকা হস্তান্তর

31

কেশবপুর :

শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় এবার ১০১টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপনের মন্দিরভিত্তিক তালিকা-২০২৬ কেশবপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কেশবপুর উপজেলা শাখা।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় কেশবপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দুলাল চন্দ্র সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সুকুমার সাহা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্দিরভিত্তিক তালিকাটি হস্তান্তর করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, কেশবপুর পৌরসভায় ৮টি এবং উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মোট ৯৩টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

ইউনিয়নভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী, ১ নম্বর ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে ১টি, ২ নম্বর সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে ১৬টি, ৩ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়নে ৭টি, ৪ নম্বর বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নে ৪টি, ৫ নম্বর মঙ্গলকোট ইউনিয়নে ৬টি, ৬ নম্বর কেশবপুর সদর ইউনিয়নে ৭টি, ৭ নম্বর পাঁজিয়া ইউনিয়নে ৯টি, ৮ নম্বর সুফলাকাটি ইউনিয়নে ১১টি, ৯ নম্বর গৌরীঘোনা ইউনিয়নে ১২টি, ১০ নম্বর সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ১২টি এবং ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়নে ৮টি মন্দির রয়েছে।

এ হিসাবে ১১টি ইউনিয়নে মোট ৯৩টি এবং কেশবপুর পৌরসভায় ৮টি মন্দিরসহ উপজেলায় মোট ১০১টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তালিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেশবপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল জলিল, আহ্বায়ক মাহবুবুর রশীদ সবুজ, সদস্যসচিব মো. হারুনার রশীদ বুলবুল, সাবেক সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, শামিম আক্তার মুকুল, ইনামুল হাসান, মো. ছাদেক হোসেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. আব্দুর রহমান রকি, তারেক হাসান বাদশাহ, প্রদীপ কুমার মোদক মানিক, আক্তার হোসেন, মো. রবিউল ইসলাম, ইমরান হোসেন, মো. মিজানুর রহমান, মো. তুহিন হোসেন, আবু সালেহ মাসউদ হাসান, মো. নাজিম উদ্দীন, জবা খান, সেলিম রেজা, নুরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, আঃ গফুর, সরদার মেহেদী ও মনজুরুল হোসেন ডবলুসহ প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে মন্দিরভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রস্তুতি কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্দিরগুলোর তালিকা সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমে পূজা উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি ও সমন্বয় কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাকে ঘিরে ইতোমধ্যে কেশবপুরের বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে প্রস্তুতির আমেজ তৈরি হয়েছে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দুর্গোৎসবকে ঘিরে সামাজিক সম্প্রীতি ও উৎসবের আবহ তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।