দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

কয়রায় সুপেয় পানির সংকট সমাধানে অ্যাডভোকেসি সভা

27

কয়রা :

উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানি সংগ্রহ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এ সংকটের টেকসই সমাধান, স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কয়রায় অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কয়রা উপজেলা বিআরডিবি হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কোয়িকার অর্থায়নে এবং জেজেএসের ইআরসিসি-২ প্রকল্পের বাস্তবায়নে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নিরাপদ পানির সংকটের কারণ, সংকট মোকাবিলায় করণীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে সুপেয় পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে পানি সংকট সমাধানে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ বা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের মাধ্যমে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণের সম্ভাবনা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

জেজেএস ইআরসিসি-২ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নাসির উদ্দীনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, বিআরডিবি অফিসের মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা শান্তনু অধিকারী, ইউপি সদস্য শেখ সেরাজুল ইসলাম ও বিভূতি বিশ্বাস, মিতা মণ্ডল, মৎস্য অফিসের সাদ্দাম হোসেন, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর শরিফুর রহমান ও মোছা. নুসরাত জাহান।

এ সময় প্রকল্পের উপকারভোগী নাছিমা খাতুন, সালমা আক্তারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় কয়রায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিরাপদ পানির সংকট তৈরি হচ্ছে। এ সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় বাস্তবতা ও মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, নিরাপদ পানির উৎস সংরক্ষণ, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং পানি ব্যবহারে সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

সভায় উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংসহ টেকসই পানির ব্যবস্থাপনা জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।