দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

মুখ ঢেকে কথা বলায় আলমিরনের লাল কার্ড, বেলিংহ্যাম কেন শাস্তি পেলেন না?

24

বিশ্বকাপে মুখ ঢেকে কথা বলার ঘটনায় প্যারাগুয়ের ফুটবলার মিগেল আলমিরন লাল কার্ড দেখলেও একই ধরনের পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম শাস্তি না পাওয়ায় ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘানার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচে জুড বেলিংহ্যামকে মুখ ঢেকে কথা বলতে দেখা যায়। তবে এ ঘটনায় ম্যাচ রেফারি কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি।

ফিফার নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুধু মুখ ঢেকে কথা বলাই শাস্তিযোগ্য নয়। এটি কোন পরিস্থিতিতে করা হয়েছে, সেটিই মূল বিবেচ্য বিষয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো খেলোয়াড় যদি প্রতিপক্ষের সঙ্গে তর্ক, সংঘর্ষ বা উসকানিমূলক পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বলেন, তাহলে রেফারি তাকে শাস্তি দিতে পারেন।

ফিফার মতে, এ নিয়মের উদ্দেশ্য হলো ম্যাচ কর্মকর্তা ও সম্প্রচার ক্যামেরার কাছ থেকে সম্ভাব্য আপত্তিকর মন্তব্য আড়াল করার প্রবণতা রোধ করা।

বেলিংহ্যামের ক্ষেত্রে ঘানার ফুটবলার জর্ডান আয়ুর সঙ্গে তার কথোপকথনকে স্বাভাবিক ও অ-বিতর্কিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে রেফারি কিংবা ভিএআর কোনো হস্তক্ষেপের প্রয়োজন মনে করেননি।

অন্যদিকে, প্যারাগুয়ের মিগেল আলমিরন তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে প্রতিপক্ষের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় মুখ ঢেকে কথা বলেন। পরে ভিএআর পর্যালোচনার ভিত্তিতে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। পাশাপাশি তাকে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফার রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান Pierluigi Collina নতুন নির্দেশিকা ব্যাখ্যা করে বলেন, স্বাভাবিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ কথোপকথনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। তবে তর্ক-বিতর্ক বা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে মুখ ঢেকে কথা বললে সেটিকে ভিন্নভাবে দেখা হবে।

ফলে বেলিংহ্যাম ও আলমিরনের ঘটনার মূল পার্থক্য ছিল পরিস্থিতিতে। একজনের ক্ষেত্রে ছিল স্বাভাবিক আলাপ, অন্যজনের ক্ষেত্রে উত্তপ্ত বিতর্ক। আর সেই কারণেই দুই ফুটবলারের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ম্যাচ কর্মকর্তারা।