দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে নৌপরিবহন মন্ত্রী

33

শার্শা :

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী রাজীব আহসান। বুধবার দুপুরে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই তিনি বন্দরে এসে বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বেনাপোল বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনাল, ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড, পণ্য স্ক্যানিং কার্যক্রম ও বিভিন্ন পণ্যাগার ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি বন্দরের অবকাঠামোগত অবস্থা, আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ওঠানামা, পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া এবং সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন মন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে এ বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই বন্দরের বাণিজ্যিক সুবিধা আরও বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী বলেন, বন্দরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পণ্য ওঠানামা ও খালাস কার্যক্রমে আরও শৃঙ্খলা ও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরের জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে বন্দরের বিভিন্ন অংশে পণ্য পরিবহন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়, তা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বন্দরের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করে বন্দরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। সেবা কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। বন্দরের কার্যক্রম যত দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে, দুই দেশের বাণিজ্য এবং দেশের অর্থনীতিতেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমীন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, ৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তারা মন্ত্রীকে বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেন।