দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে পাইকগাছায় ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি

17

পাইকগাছা :

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছায় আলোচনা সভা, সনদপত্র ও সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে “তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন। স্বাগত বক্তব্যে তিনি উপজেলার জনসংখ্যা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, পাইকগাছায় বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২৭ শতাংশ, যা জাতীয় গড় ১.৩৩ শতাংশের তুলনায় কম। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস প্রচেষ্টার ফলেই এ সফলতা অর্জিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় জনসংখ্যা ছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার ২০৯ জন, যা বর্তমানে ৩ লাখেরও বেশি। জাতীয়ভাবে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৭১ জন হলেও পাইকগাছায় এ হার ৬৯৬ জন। উপজেলায় বর্তমানে সক্ষম দম্পতির সংখ্যা ৫৯ হাজার ৪০০, যার মধ্যে ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। গ্রহণকারীর হার ৭৫.০৫ শতাংশ, যেখানে নির্ধারিত মান ৮৫ শতাংশ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একরামুল হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্থ প্রতিম রায়, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকসানা পারভীন এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির।

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রাজীব কুমার গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস আলী মোড়ল, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. আব্দুল আজিজ, স্মিতা রাণী দাশ, মানস বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান ও তৃণা বাছাড়।

অনুষ্ঠান শেষে গত এক বছরে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য ছয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সনদপত্র এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ বছর শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেয়েছেন— শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী বীণাপানি মণ্ডল, শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ওবায়দুল্লাহ সরদার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা স্মিতা রাণী দাশ, শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মানস বিশ্বাস, শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদ এবং শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হিসেবে কপিলমুনি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।