দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

প্রফেসর ড. এম. এইচ. খানের ইন্তেকালে কেকেবিএইউ’র গভীর শোক

8

খুলনা :

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর সাবেক উপাচার্য, আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (আউস্ট)-এর প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাবেক সহ-সভাপতি ও প্যাট্রন প্রফেসর ড. এম. এইচ. খানের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কেকেবিএইউ) পরিবার।

গত ৭ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ৩টা ৪৮ মিনিটে রাজধানীর শাহবাগস্থ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

প্রয়াত এই বরেণ্য শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, বোর্ডের সদস্যবৃন্দ—প্রফেসর ড. আবু তৈয়ব আবু আহমদ, ড. মোহাম্মদ খলিলুল্লাহ, ড. এস. এম. খলিলুর রহমান, ড. এম. এ. জলিল, ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, ড. এম. এহসানুর রহমান ও মো. আবদুস সামাদ ফারুক—এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনিসুর রহমান পৃথক শোকবার্তা প্রদান করেন।

শোকবার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে তাঁর জান্নাতুল ফেরদাউস নসিবের প্রার্থনা জানানো হয়। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়।

শোকবার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, প্রফেসর ড. এম. এইচ. খান ছিলেন দেশের উচ্চশিক্ষা ও প্রকৌশল শিক্ষার অন্যতম অগ্রদূত। শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। বিশেষ করে প্রকৌশল শিক্ষা, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা প্রশাসন এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

কেকেবিএইউ পরিবার বিশ্বাস করে, তাঁর আদর্শ, কর্মনিষ্ঠা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। দেশের শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে তাঁর অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।