দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

দাকোপে পূজার জন্য বরাদ্দ কৃত চাল সিন্ডিকেটের কবলে

39
শচীন্দ্র নাথ মন্ডল, দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার দাকোপ উপজেলায় চলতি বছরে দূর্গা পূজায় চাল ব্যবসায়িকদের অলিখিত সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে মন্ডপ কতৃপক্ষ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বরাদ্দ চাল পানির দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে।
সারা দেশের ন্যায় সরকার দাকোপ উপজেলায় ৮১ টি মন্দিরে ৬০০কেজি করে ৪৮.৬০০ শো মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারি নিয়মে অধিকাংশ মন্দিরের নামেই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রত্যেকটি মন্দিরে অনুকূলেূ ৬০০শো কেজি করে চালের বরাদ্দ পত্র দেওয়া হয়েছে।
ওই বরাদ্দ পত্র হাতে পেয়ে প্রতিটি মন্দির কমিটির সভাপতি /সম্পাদক চাল বিক্রি করতে যেয়ে দাকোপউপজেলা সদর ও চালনা পৌরসভায় হাতেগোনা ৪/৫ জন পুরাতন নতুন ব্যবসায়ী অলিখিত সিন্ডিকেট তৈরি করে ৩৪ টাকা কেজি দরে ৬০০শো কেজি চাউলের দাম ২০ হাজার ৪শো টাকা করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে চুনকুড়ি উওর পাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে সভাপতি শিলাদিত্য মন্ডল বলেন, ডি ও নিয়ে যে ব্যবসায়ির কাছে গেছি সে ২০ হাজার ৪শোর বেশি দিয়ে চাল কিনবে না।
খুটাখালী পূর্ণ পাড়া সার্ববজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি জয়ন্ত রায় বলেন দাকোপে চালনা পৌরসভায় চাল ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করেছে। কেউ ২০ হাজার ৪ শো”র বেশি দিয়ে চাল কিনবে না।
একই কথা বলেছেন সাহেবের আবাদ শশ্মান কালি সার্ববজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি সুকান্ত সরকার, তিলডাঙ্গা মশামারী শীলবাড়ি সার্ববজনীন -দূর্গা মন্দিরের সভাপতি  দীনবন্ধু শীল বলেন প্রথম দিকে কাউকে কাউকে ২০ হাজার   ৪ শো টাকার চেয়ে ২/১শো বেশী দিয়েছে।
বারুইখালী বসুন্দিয়া দেলুটি প্রনব মঠ সার্ববজনীন দূর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব বাওয়ালী বলেন গত বছর ৫০০ শো কেজি চাল বিক্রি করে সাড়ে ১৯ হাজার টাকা পেয়েছি, আর এবছর ৬০০ শো কেজি চাল বিক্রি করেছি পানির দামে ২০হাজার ৪ শো টাকায়।
দাকোপ উপজেলা পূর্জাউদষাপন পরিষদের আহবায়ক গোবিন্দ বিশ্বাস বলেন, খোজ খবর নিয়ে জেনেছি পাশ্ববর্তী উপজেলায় একই চাল কেজি প্রতি ৩৯ টাকা করে দাম দিয়েছে। শুধুমাত্র চাল ব্যবসায়ীদের সেন্ডিকেটের কারনে প্রতিটি মন্ডপ কতৃপক্ষ কমদামে চাউল বিক্রিয় করতে বাধ্য হয়েছে। এ কারনে দাকোপে মন্ডপ নেতৃবৃন্দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, সরকারি ভাবে বরাদ্দ দেওয়া চালের ডি ও  প্রত্যেকটি মন্ডপ কতৃপক্ষের নিকট দিয়েছি। পূজা মন্ডপ কতৃপক্ষ কত দামে বিক্রি করেছে তা আমার জানা নেই।