দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

কেশবপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ব্যান্ডেজ নিয়ে অভিযোগ, তদন্তের দাবি

হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি সাংবাদিকদের

64

কেশবপুর :

যশোরের কেশবপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুবুর রশীদ সবুজ ও সদস্য সাদেক হোসেনসহ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের চিকিৎসা নেওয়া নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। হামলার পর অভিযুক্ত কয়েকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যান্ডেজ করেছেন—এমন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন মহল।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কেশবপুর প্রেসক্লাবে অবস্থান করছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এ সময় আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ, জয়দেব চক্রবর্তী, আশরাফুজ্জামান খান ও জাহিদ হোসেনসহ ১৫-২০ জন যুবক সেখানে গিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুবুর রশীদ সবুজ, সদস্য সাদেক হোসেনসহ পাঁচজন আহত হন।

স্থানীয় সাংবাদিকরা আহতদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত মাহাবুবুর রশীদ সবুজ ও সাদেক হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আহতদের পক্ষের অভিযোগ, হামলায় মাহাবুবুর রশীদ সবুজের বাম হাতের একটি আঙুলে গুরুতর আঘাত লাগে। সাদেক হোসেনের মাথা ও বুকের পাঁজরে আঘাতের কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা এড়াতে অভিযুক্ত কয়েকজন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে গিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যান্ডেজ করিয়েছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনেওয়াজ বলেন, “ফুয়াদ, জয়দেব চক্রবর্তী ও আশরাফুজ্জামান খানের চাপের মুখে তাদের শরীরে ব্যান্ডেজ করতে আমরা বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি কাম্য ছিল না।”

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

কেশবপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান ও সদস্য সচিব হারুনার রশীদ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য যশোরের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।