প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের ঘোষণা মোদীর, পদত্যাগের দাবিতে অনড় রাহুল ও শিক্ষার্থীরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এই ঘোষণাকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।
রাহুল গান্ধী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট। প্রথমত, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে সরকারকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে সরকার ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে বিরোধী দলগুলোর দাবি, শুধু ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করলেই হবে না; প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়ও নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে ককরোজ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বলেছেন, দাবি পূরণ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না। তিনি বলেন, “সোনম ওয়াংচুকের অনশনকে আমরা বৃথা যেতে দেব না।”
অন্যদিকে, চলমান পরিস্থিতির কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাজধানী দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সংস্থাটি জানায়, তবে রাজীব চৌক, মান্ডি হাউস ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারেট স্টেশনে আন্তঃলাইন (ইন্টারচেঞ্জ) সুবিধা স্বাভাবিক থাকবে।