দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট নিয়ে খুবিতে ভ্যালিডেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

26

খুলনা :

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট’ বিষয়ক ভ্যালিডেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় শিক্ষা, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ডিসিপ্লিনের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে এবং অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের লক্ষ্যে নিয়মিত সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ডিসিপ্লিনের গুণগত মান, সক্ষমতা, সীমাবদ্ধতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা নিরূপণে এই মূল্যায়ন কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

উপাচার্য আরও বলেন, সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম, গবেষণা, কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার গুণগত মান মূল্যায়ন করা সম্ভব হয়। তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই ও স্টেকহোল্ডারদের আরও সক্রিয় সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তারা শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান উন্নয়নে সেলফ-অ্যাসেসমেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. ইয়াছিন আলী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিসিপ্লিনের পিএসএসি কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশীর আহমেদ

কর্মশালার মূল পর্বে ডিসিপ্লিনের সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মো. ইয়ামিন কবীর। উপস্থাপনার ভিত্তিতে ডিসিপ্লিনের বর্তমান অবস্থা, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পৌঁছানোর কৌশল নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা বিস্তারিত আলোচনা করেন।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে ডিসিপ্লিনের অ্যালামনাই, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন, গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, আধুনিক কারিকুলাম প্রণয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক জয়ন্তী রায়। কর্মশালায় এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত হবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ডিসিপ্লিনটির গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম বৃদ্ধি পাবে।