দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

কালুরঘাটে অস্ত্র প্রদর্শন ও গুলির ঘটনায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ক্ষোভ

133

চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রাম নগরীর কালুরঘাট বিসিক শিল্প এলাকায় একটি পোশাক কারখানার সামনে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন ও গুলি ছোড়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন

সোমবার (২২ জুন) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান এবং মহানগর সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দিনের আলোয় জনসম্মুখে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও গুলি ছোড়ার দৃশ্য চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। শিল্পাঞ্চলে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরই বহিঃপ্রকাশ।

তারা বলেন, কালুরঘাট বিসিক শিল্প এলাকা চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক সেখানে কর্মরত থাকেন। এমন এলাকায় অস্ত্রধারীদের প্রকাশ্য দৌরাত্ম্য শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। শিল্প-কারখানাকেন্দ্রিক চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টা শিল্প পরিবেশের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, অস্ত্রের মহড়া, সন্ত্রাস ও ভয়ভীতি প্রদর্শন ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির অংশ। গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বাংলাদেশে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কোনো স্থান নেই। যারা অস্ত্রের শক্তিতে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিবৃতিতে শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতারা অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অস্ত্রধারী ও তাদের সহযোগীদের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করে গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি চট্টগ্রামের সব শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার ও চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতির শেষে তারা বলেন, “চট্টগ্রাম শিল্প, বন্দর ও শ্রমিকের নগরী। এ নগরীকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত করার যেকোনো অপচেষ্টা শ্রমিক সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।”