দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

যশোর আনসার ব্যাটালিয়নের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

3

যশোর:

যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে যশোর আনসার ব্যাটালিয়ন (২৯ বিএন)-এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে ব্যাটালিয়ন প্রাঙ্গণে বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, কেক কাটা, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ এবং সদস্যদের অংশগ্রহণে প্রীতিমিলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

মহাপরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অঙ্গীকার হবে অপরাধমুক্ত, স্বপ্নের একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি বলেন, যশোর আনসার ব্যাটালিয়নের ৩৮ বছরের পথচলা নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, ত্যাগ, পেশাদারিত্ব ও সাফল্যের এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা, জাতীয় নির্বাচন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং জনসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যাটালিয়নের সদস্যরা প্রশংসনীয় অবদান রেখে চলেছেন।

তিনি আরও বলেন, শৃঙ্খলা, সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধই একজন আনসার সদস্যের প্রকৃত পরিচয়। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের মাধ্যমে বাহিনীর মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় উন্নয়নে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার মো. আব্দুস সামাদ, বিভিএম, পিভিএমএস; যশোর আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক মো. তরফদার আলমগীর হোসেন; খুলনা রেঞ্জের উপপরিচালক এএসএম আজিম উদ্দিন; যশোর ব্যাটালিয়নের উপপরিচালক মো. কামরুল ইসলামসহ বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

পরে রেঞ্জ কমান্ডার মো. আব্দুস সামাদ বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সদস্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।

উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাটালিয়নের সদস্যদের মধ্যে কর্মস্পৃহা, ঐক্য ও দেশসেবার অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।