দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়লো আবারও

25

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৬ সালের ১২ জুলাই পর্যন্ত মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬.৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

‎রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত ৭ জুলাই আকুর আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভে যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং রপ্তানি আয় অব্যাহত থাকায় রিজার্ভ পুনরুদ্ধারের ধারা অব্যাহত রয়েছে।এর আগে ৭ জুলাই বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩১.৭২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২২ কোটি  ডলার। একই সময়ে গ্রস রিজার্ভও ৩৬.৩৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

‎বিশ্লেষকদের মতে, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে। ১ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত দেশে ১.১৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১.৬ শতাংশ বেশি।

‎অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, আমদানি ব্যয় নির্বাহ এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তবে এই ধারা ধরে রাখতে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
‎বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।