দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে চাকরি: চার প্রার্থী কারাগারে

22

প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে চার চাকরিপ্রার্থীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো চার আসামি হলেন— মো. রাসেল রানা লিটন (৩২), মো. আলিম (২৮), মো. আলী হায়দার (২৯) ও মো. মাসুদ ফকির (৩১)।

মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক পদে ২০ জন নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয় এবং ১৯ জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের নির্ধারিত কক্ষে যোগদান করতে বলা হয়।

নির্ধারিত দিনে চার প্রার্থী সচিবালয়ে যোগদান করতে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষার সময় ধারণ করা ছবি ও সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে উপস্থিত ব্যক্তিদের মুখাবয়ব মিলিয়ে দেখা হলে ফেস ভেরিফিকেশনে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিয়োগপত্র পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পর রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সচিবালয় থেকে চারজনকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং জামিন আবেদনের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন। তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িত প্রক্সি পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।