দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

 জমি দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

23

সাতক্ষীরা :

উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা এবং মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রওশন আরা রুবি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। রওশন আরা রুবি দেবহাটা উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের মৃত ফজলুর কাদেরের স্ত্রী।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটা উপজেলার বালিথা ও বিল শিমুলবাড়িয়া মৌজার ‘ধাপার ঘের’-এ তাঁদের এসএ ও বিএস খতিয়ানভুক্ত মোট ৮ দশমিক ৩৩ একর পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পর ২০০২ সালে অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে চাচা শ্বশুর আবুল কাশেমের উত্তরাধিকারীরা, যাদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও আলমগীর হোসেন রয়েছেন, জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল করে ভোগদখল শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি জানান, দীর্ঘ ১৬ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৮ সালে তারা পুনরায় নিজস্ব সম্পত্তির দখল ফিরে পান এবং বর্তমানে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। এরপর প্রতিপক্ষ একাধিক মামলা দায়ের করলে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তাঁর দাবি, উচ্চ আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ এখনো বহাল রয়েছে এবং নিম্ন আদালতও মামলার কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন।

রওশন আরা রুবি অভিযোগ করেন, আদালতে সুবিধা করতে না পেরে প্রতিপক্ষ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করছে এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাঁদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। গত ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাঁর দাবি, মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলার চার্জশিট রয়েছে (মামলা নং-৭, তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৫), যার পরবর্তী শুনানির তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৬। এছাড়া দেবহাটা থানায় আলমগীর, রনি ও অন্যদের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলা (মামলা নং-১৬/২৫)-এর পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

তিনি অভিযোগ করেন, এসব তথ্য গোপন রেখে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে তাঁদের সম্পত্তি দখলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রওশন আরা রুবি জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।