দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

যশোর শিক্ষা বোর্ডে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান কমেছে, বেড়েছে শতভাগ ফেল

31

যশোর :

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কোনো শিক্ষার্থীই পাস না করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৭৫টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ৩৯টি।

অন্যদিকে, এবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯টি।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। বিপরীতে ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

শতভাগ ফেল করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যশোরের চারটি, সাতক্ষীরার চারটি, খুলনার দুটি এবং বাগেরহাটের একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

যশোরের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে। চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুলের তিনজন, শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুলের দুইজন এবং মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুলের একজন পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুলের সাতজন, আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুলের চারজন, দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুলের চারজন এবং শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন পরীক্ষার্থী সবাই ফেল করেছে।

এ ছাড়া খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন এবং খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

ফলাফলের এই চিত্রে একদিকে যেমন শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে, অন্যদিকে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।