দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার দাকোপ উপজেলায় আনন্দ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ওঅনৈতিক কর্মকান্ডের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার আনন্দ নগর গ্রামের মৃত সাদেক মোল্যার পুত্র অভিযোগ কারী ইকরামুল মোল্ল্যার ২৭ শে অক্টোবর দাকোপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রতি কার চেযে অভিযোগে জানাযায়, তাঁর এলাকায় আনন্দ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাঞ্জন বিশ্বাস ।
তিনি অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর থেকে বিদ্যালয় বিরোধী কাজকর্ম রাতের আঁধারে বিদ্যালয়ের মূল্যবান মালামাল (বেঞ্চ, চেয়ার) ও বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে দীর্ঘ দিন যাবত তাহার নিজস্ব গাড়ি চার্জ দিয়ে আসিতেছে। বিগত সরকারের আমলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এরকম হীন কার্যক্রম পরিচালনা করিতে থাকিলে বিভিন্ন পত্রিকা ফলাও করে প্রকাশি হয়। যাহা এলাকাবাসীসহ দাকোপবাসী অবগত আছে। সে সময় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিষয়তি ধামা-চাপা দিয়ে রাখে।
সম্প্রতি স্কুলের নিজস্ব রুমে তালাবদ্ধ করে স্কুলের প্রজেক্টর চালিয়ে অশ্লীল ভিডিও দেখে। এ ঘটনায় এলাকার অনেক ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা বিষয়টি জানার পর প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জন বাবুর কাছে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি আমাদের সামনে বিষয়টিকে নিজের ভুল স্বীকার করে এবং ক্ষমা চায়।
প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জনের এহেন কর্মকান্ডের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অনেক অভিভাবক তাদের ছেলে-মেয়েদেরকে পাশ্ববর্তী চালনা বাজারের বিভিন্ন স্কুলে পড়া লেখা করাতে বাধ্য হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই শিক্ষক স্কুলে থাকলে অচিরেই এই স্কুলের শিক্ষা-ব্যবস্থা চরম অবনতির দিকে পৌঁছাবে।
এলাকার স্বার্থে ও বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জরুরী ভিত্তিতে এই হীন চরিত্রের প্রধান শিক্ষকের অপসারণ করা প্রয়োজন। তবে অভিযোগ কারী তদন্ত পূর্বক শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবী জানিয়েছে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নিকট।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক সুরাঞ্জন বিশ্বাস এর সাথে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনে রিং হয় কিন্তু সে ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসাৎ রেকোনা আক্তারের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করলে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।