দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ মহেশখালীর টার্মিনাল থেকে

15

কথা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানিয়েছিলেন আজ মঙ্গলবার থেকে দেশে গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়বে। সোমবারের সেই বৈঠকের পর রাতেই মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো শুরু হয়।

মঙ্গলবার সকালে সেখানকার দুটি টার্মিনাল থেকে ৯৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল, যা বিগত প্রায় দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ওই দুটি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির ছিল।

বিগত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে রহস্যজনক এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় টার্মিনালটি বিকল হয়ে গেলে গ্যাস সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। এরপর টার্মিনালটি সচল হলেও ইরান যুদ্ধের কারণে এলএনজিবাহী জাহাজ আসা কমে যায়। তাতে এলএনজি সংকটের কারণে টার্মিনাল দুটি থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়।

বিগত ২২ আগস্ট থেকে শিডিউল অনুযায়ী আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ আসা শুরু হলে সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়। চলতি মাসে গতকাল সোমবার পর্যন্ত চারটি এলএনজিবাহী কার্গো আসার পর গ্যাস সরবরাহ আরো বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

এলএনজি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ প্রায় ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট ছাড়িয়ে গেছে। এতে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

গ্যাস সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শিল্পকারখানায় উৎপাদনে গতি আসছে। গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা সচল করা হচ্ছে। আবাসিক গ্রাহকদের মাঝে স্বস্তি ফিরছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের চাপ বাড়ছে।

এদিকে এলএনজিবাহী আরো একটি জাহাজ আসছে আগামীকাল বুধবার। সেটি আসার পর গ্যাস সরবরাহ আরো বাড়িয়ে দেওয়া হবে। মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির সরবরাহ ক্ষমতা ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ পাওয়া গেলে সরবরাহ একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে আসবে।