দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

মোরেলগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে পুনঃনিয়োগের প্রতিবাদে মাদরাসায় বিক্ষোভ

52

মোরেলগঞ্জ :

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ.এ. বারী হাওলাদারকে পুনরায় অধ্যক্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার খবরে মাদরাসায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা মাদরাসা চত্বরে সাবেক অধ্যক্ষ এ.এ. বারী হাওলাদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, এ.এ. বারী হাওলাদার গত ২৯ জুলাই অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বিনা বেতনে অধ্যক্ষ পদে থাকার জন্য চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে দায়িত্ব হস্তান্তর না করায় মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তার কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন।

সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় এ.এ. বারী হাওলাদারকে ২ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছরের জন্য বিনা বেতনে অধ্যক্ষ পদে পুনঃনিয়োগ দেয়। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই নিয়োগ আদেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তারা রোববার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ.এ. বারী হাওলাদার বলেন, “কর্তৃপক্ষ আমাকে বিনা বেতনে নিয়োগ দিয়েছে। আমি মাদরাসাটির বৈধ অধ্যক্ষ। একটি মহল ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে আমাকে দায়িত্ব পালন করতে দিতে চাচ্ছে না।”

অন্যদিকে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গাজী মো. শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “এ.এ. বারী হাওলাদার অধ্যক্ষ থাকাকালে অনেক অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতি করেছেন। তাকে এখন মাদরাসায় কেউ চায় না। তিনি মাদরাসায় ফিরলে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে। যে কোনো মূল্যে তাকে প্রতিহত করা হবে।”

মাদরাসায় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃনিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।