মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের জোরালো অবস্থান প্রশংসনীয়- বলে অভিমত ব্যকত্ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কা থেকে আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার বিষয়টি নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছেন। তিনি ইশরাকের মাদকবিরোধী অবস্থানের প্রশংসা করলেও ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
পোস্টে তিনি বলেন, ইশরাক হোসেন একজন তরুণ উদীয়মান নেতৃত্ব। রাজপথে সংগ্রাম করে সারাদেশের নেতাকর্মীদের মন জয় করার মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসেছেন। একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাকে সবসময় প্রবল উদ্দীপনা নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।
রাশেদ খান বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের জোরালো অবস্থান প্রশংসনীয়। তবে মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কা থেকে আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার বিষয়টি নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছেন।
রাশেদ খান আশা প্রকাশ করছেন, ইশরাক এ সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবেন এবং ভবিষ্যতে নিজেকে আরও সতর্ক করবেন।
মাদকসেবীদের আচরণ ও নিরাপত্তাঝুঁকির প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খান বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা অনেক সময় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কর্মকর্তাদেরও চিনতে পারেন না। মাদকের ঘোরে তারা যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারেন।
বিএনপির এই নেতা মনে করেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে ইশরাক হোসেনের উচিত আরও সচেতন থেকে নিজ এলাকায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ নেওয়া। এতে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
ইশরাকের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, সমালোচনার বিষয়ে ইশরাক স্পষ্ট করেছেন, তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তারা যেন পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
দেশে মাদকের বিস্তার এবং পুলিশ-প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খান বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে দুর্বলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।