দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

দীর্ঘ ৮ দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

38

শার্শা :

শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে পুরোদমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে গতি ফিরেছে এবং কমতে শুরু করেছে পণ্যজট।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা আট দিন এ পথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

তিনি জানান, শনিবার সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলেও সার্ভার সমস্যার কারণে তা বেশিক্ষণ চালানো সম্ভব হয়নি। ওই দিন ভারত থেকে ৬২ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৩৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।

তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো, খালাস ও শুল্কায়নের কাজ স্বাভাবিক ছিল। এ সময় বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনায় আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু রাখার ব্যবস্থাও ছিল।

বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, রোববার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। বন্দর ও কাস্টম হাউসের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশে পণ্য ও ট্রাকের জট তৈরি হয়েছিল। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় পণ্য খালাসের গতি বেড়েছে এবং জট কমতে শুরু করেছে। বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে প্রায় দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক কাজে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন জানান, শনিবার সার্ভার সমস্যার কারণে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে রোববার থেকে বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। ছুটিতে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমদানিকারকরা যাতে দ্রুত বন্দর থেকে পণ্য খালাস নিতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।