দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

খুলনায় অনিরাপদ ড্রামে ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয় বন্ধে এডভোকেসি

35
খুলনা: 
ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও সংরক্ষণে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধের লক্ষ্যে খুলনায় এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা ১১টায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) খুলনা জেলা কমিটি এ সভার আয়োজন করে। সভায় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি, বাজার কমিটি, স্থানীয় প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও পরিবহনে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার জনস্বাস্থ্য ও খাদ্যের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার ধাপে ধাপে বন্ধ করা প্রয়োজন। সভায় আলোচকরা আরো বলেন, বর্তমানে ব্যবহৃত ভোজ্য তেলের ড্রামগুলো কেবলমাত্র রাসায়নিক দ্রব্য বাজারজাত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলো স্বাস্থ্যসম্মত ও ফুডগ্রেট নয়। এই ড্রামগুলো ভোজ্যতেল পরিবহন ও বাজারজাত করার কাজে ব্যবহার অনিরাপদ এবং মানব স্বাস্থের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সরকার খোলা তেল বিক্রয় এবং পরিবহন ও বাজারজাত করার কাজে এই ধরনের ড্রাম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় এ বিষয়ে সচেতনতা ও অংশীজনদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে এ ধরনের এডভোকেসি সভা আয়োজন করা হচ্ছে। আজ বিকালে একই বিষয়ের উপরে খুলনার ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সাথেও এডভোকেসি রয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মুখ্য আলোচক ছিলেন কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি ও সাবেক সচিব এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, খুলনার উপপরিচালক মোহাম্মদ সেলিম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাব খুলনা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্যাব খুলনা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এম. নাজমুল আজম ডেভিড এবং সভা সঞ্চালনা করেন পরিবর্তন খুলনার সভাপতি অজান্তা দাস। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের ডা: আলিভা হক।

আয়োজকরা জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, ব্যবসায়ী, বাজার কমিটি, স্থানীয় প্রতিনিধি, ভোক্তা ও সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। এ সভার মাধ্যমে খুলনায় ভোজ্যতেল ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ পদ্ধতি ব্যবহারে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।