দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

কৈলাশগঞ্জে জমি দখল নিয়ে উত্তেজনা, শৈশব কান্তি রায়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

34

দাকোপ :

খুলনার দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের ধোপাদী গ্রামে জমি দখল ও ভূমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় শৈশব কান্তি রায়ের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে জমি সংক্রান্ত অনিয়মে সহযোগিতা, সরকারি জমি দখল এবং স্থানীয় এক পরিবারের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে জড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য ও ভুক্তভোগী পক্ষ।

অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শৈশব কান্তি রায় ও তার বাবা স্থানীয় ভূমি অফিসের নায়েবের সঙ্গে যোগসাজশ করে ধোপাদী গ্রামের কয়েকজনের জমি ভুয়া রেকর্ডের মাধ্যমে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কাজে সহযোগিতা করেছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে প্রায় ৩৫ বিঘা সরকারি জমি দখলে রাখার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শৈশব কান্তি রায়ের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারী পক্ষ আরও দাবি করে, সঞ্জীব বিশ্বাসের বাবা ও দাদা ক্রয়সূত্রে পাওয়া একটি সম্পত্তি প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি ওই সম্পত্তি থেকে তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী পক্ষের বক্তব্য, কারও দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত। আদালতের আদেশ ছাড়া ক্ষমতার প্রভাব বা জোরপূর্বক কাউকে উচ্ছেদ করা উচিত নয় বলেও তারা দাবি করেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্য গাজী ফয়সাল বলেন, তার কোনো নিজস্ব বাহিনী নেই। সাধারণ ও নির্যাতিত মানুষই তার সঙ্গে রয়েছেন। কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই বার সরাসরি বিপুল ভোটে নির্বাচিত সদস্য বলেও দাবি করেন। এমনকি আমি নির্বাচিত হলেও আমার ভোট আমি দিতে পারি নাই, তবুও জনসাধারণ ভোট দিয়ে একাধিকবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমি চুরি করে নির্বাচিত হইনি। বিগত সময়ে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে এ পর্যন্ত এসেছি। আমার কোনো ব্যক্তিগত বাহিনী নাই, সাধারণ মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচারের পক্ষেই কথা বলছি।’ কিন্তু একটি পক্ষ উদ্দেশ্যমুলক ভাবে অপপ্রচার করছে। সরজমিন সকল বিষয়ের সততা পাওয়া যাবে।

স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধটি দীর্ঘদিনের হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও উত্তেজনা রয়েছে। বিরোধপূর্ণ জমির মালিকানা, রেকর্ড ও দখল নিয়ে প্রকৃত তথ্য নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের নথিপত্র যাচাই এবং প্রয়োজন হলে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি প্রয়োজন।

পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমির মালিক সঞ্জীব বিশ্বাস বলেন, আমাদের

এ বিষয়ে শৈশব কান্তি রায়ের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের নথিপত্র যাচাই করে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা গেলে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।