দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

কেশবপুর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের কাছে ১০১ মন্দিরের পূজা তালিকা হস্তান্তর

22

কেশবপুর :

শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এ বছর উপজেলার ১০১টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরই অংশ হিসেবে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কেশবপুর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের কাছে মন্দিরভিত্তিক পূজার তালিকা হস্তান্তর করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেশবপুর পৌর শাখার আহ্বায়ক মলয় বসু এবং উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহন দেবনাথ কেশবপুর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের হাতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার মন্দিরভিত্তিক তালিকা তুলে দেন।

পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে মন্দিরভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রস্তুতি কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের কাছে মন্দিরগুলোর তালিকা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে পূজা আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি, সমন্বয় ও সহযোগিতা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে দুর্গাপূজাকে ঘিরে ইতোমধ্যে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। প্রতিমা তৈরি, মণ্ডপ সাজসজ্জা এবং অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দুর্গোৎসবকে ঘিরে সামাজিক সম্প্রীতি ও মিলনমেলার আবহ তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।

তালিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেশবপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল জলিল, আহ্বায়ক মাহবুবুর রশীদ সবুজ, সদস্য সচিব মো. হারুনার রশীদ বুলবুল, সাবেক সভাপতি ওয়াজেদ খান ডবলু, শামিম আক্তার মুকুল, ইনামুল হাসান, মো. ছাদেক হোসেন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. আব্দুর রহমান রকি, তারেক হাসান বাদশাহ, প্রদীপ কুমার মোদক মানিক, আক্তার হোসেন, মো. রবিউল ইসলাম, ইমরান হোসেন, মো. মিজানুর রহমান, মো. তুহিন হোসেন, আবু সালেহ মাসউদ হাসান, মো. নাজিম উদ্দীন, জবা খান, সেলিম রেজা, নুরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, আঃ গফুর, সরদার মেহেদী, মনজুরুল হোসেন ডবলুসহ প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে কেশবপুরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে উৎসবের প্রস্তুতি। ১০১টি মন্দিরে পূজা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরো উপজেলায় ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ সৃষ্টি হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

হারুনার রশীদ বুলবুল