ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় এলে দেশ থেকে চিরতরে দুর্নীতি বন্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের (সদর-সোনাডাঙ্গা) হাতপাখা মার্কার প্রার্থী আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ। তিনি বলেন, নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিজয়ী হলে চির দিনের জন্য স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের পতন হবে। বাংলাদেশ নতুন ধারায় যাত্রা শুরু করবে।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় সোনাডাঙ্গা থানার ১৭ নং ওয়ার্ডের টেক্সটাইল মিল এলাকা, নিউমার্কেট, চাউলপট্টি, বাইতুন নূর মসজিদ এলাকা, নূরানী মহল্লা, ময়লাপোতা, শিববাড়ি মোড়, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, হাফিজ নগর, আল ফারুক এলাকা, ডাক্তার পাড়া, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ ও ভোটারদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতী আমানুল্লাহ বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। আমরা আশা করি, এবার মানুষ ভালো ও সৎ মানুষদের ভোট দেবে।বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৪ বছর আগে। এই ৫৪ বছরে অনেক সরকার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু পদ্ধতিগত কোনো পরিবর্তন হয়নি। যে সরকারই এসেছে, তারা দুর্নীতি করেছে। সরকারের নামে নেতৃত্বের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু দুর্নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো কোনো সরকারের সময় বাংলাদেশ সারাবিশ্বে তিনবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এবার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলের পর দুর্নীতি বন্ধের সুযোগ রয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি চিরতরে বন্ধ হবে।
এ সময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও নগর সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, মোঃ শোয়েবুর রহমান, নগর সেক্রেটারী মুফতী ইমরান হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ফেরদৌস গাজী সুমন, মোঃ আব্দুর রশিদ, মোঃ মঈন উদ্দিন, মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মোঃ নুরুজ্জামান বাবুল, মোঃ কবির হোসেন হাওলাদার, মোঃ আব্দুল মান্নান, মোঃ মহিদুল ইসলাম, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ মুকুল গাজী, মোঃ শাহজাহান পাটোয়ার, আবুল হোসেন, মোঃ ফয়সাল করিম, মোঃ শাহ জালাল, হাবিবুল্লাহ মেসবাহ, হাফেজ উসামা আবরার, মোঃ সালমান ফারসি, মোঃ সাব্বির আহমেদ, মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, মোহাম্মদ রেজাউল করিম, মোঃ শাহরিয়ার নাফিস, নুরুল করিম, আরাফাত শিকদার, মোঃ মাশরাফি, মোঃ মিরাজুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।