দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন: ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

7

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছে ভোট গণনা। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল সমন্বয় শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।

আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট পড়ার তথ্য জানিয়েছিল নির্বাচন কার্যালয়। তবে গণনা শেষে মোট ভোটের হার জানা যাবে।

নির্বাচন চলাকালে বড় ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট, ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দুই প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ও দেলাওয়ার হোসেন।

বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। এরপর তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। সেখানে পরিদর্শন শেষে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডাব মার্কার এজেন্টরা সবাই জামায়াতের এজেন্ট হয়ে গেছে। জামায়াতের এজেন্টরা ডাব মার্কার কাগজ নিয়ে ঢুকে গেছে।

অপরদিকে, জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের হাজিপাড়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন। এরপর তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভোটকেন্দ্রে এসে প্রথমেই আমার কাছে যে বিষয়টি উদ্বেগজনক মনে হয়েছে, প্রিজাইডিং অফিসারের কার্ডে কোনো ছবি নেই। যতটুকু শুনলাম, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার যারা রয়েছেন তাদের গলার কার্ডেও ছবি নেই। যিনি এখানে প্রিসাইটিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন তার যদি ছবি না থাকে তাহলে কীভাবে বুঝব উনিই ওই ব্যক্তি, অন্য ব্যক্তিও তো এখানে প্রক্সি দিতে পারেন, এটি খুবই উদ্বেগজনক।

এছাড়া ভোটগ্রহণ শেষে জামায়াত প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি ২০ থেকে ২৫টা ব্যালট বইয়ে তারা আগে থেকে সিল মেরে রেখেছে, যেটা খুবই উদ্ভেগজনক। কারণ সিল যদি আগেই মারা থাকে তাহলে চোখের ইশারায় বিএনপির যারা ভোটার আছেন তাদের ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপার ছিড়ে দেওয়া সম্ভব। এটা যে হয়নি সেটাও বলা যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে দু-তিনটা ব্যালট পেপার দিয়ে তাদের সহযোগিতা করছে। জাল ভোট দিতে গিয়ে ইতোমধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জন বিএনপি কর্মী ধরা পড়েছে। কেন্দ্রগুলোতে দেখবেন নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে ধানের শীর্ষের প্রতীকসহ গেঞ্জি নিয়ে তারা অবাধে সেন্টারের বুথে ঢুকেছেন এবং সেখানে ভোট প্রদান করেছেন। আমরা সেটি প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর করেছি।