দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

মাদকবিরোধী জনসচেতনতায় ইমাম-খতীবদের কার্যক্রম অব্যাহত

29

বাগেরহাট :

মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক মূল্যবোধ জোরদারে বাগেরহাটে ইমাম-খতীবদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে জেলা শাখার আহ্বায়ক মাওলানা মো. মানফুজুর রহমান, সদস্য সচিব মুফতি জাহিদুল ইসলামসহ আহ্বায়ক কমিটির অধিকাংশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে জেলার ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে ইমাম-খতীবদের ভূমিকা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা শাখার উদ্যোগে ইতোমধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মসজিদের খুতবা ও বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে মাদকবিরোধী এ কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা করেন সংস্থার নেতৃবৃন্দ। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ইমাম-খতীবদের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন তারা।

এদিকে, সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের ব্যানারে আগামী ১৩ অক্টোবর বাগেরহাটে বৃহৎ পরিসরে একটি ইসলামী সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্মেলন সফল করতে জেলা আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সংস্থার নেতৃবৃন্দ জানান, সম্মেলনে দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা, ইমাম-খতীব ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন। সেখানে ইসলামী মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সামাজিক সম্প্রীতি, মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং যুবসমাজকে নৈতিক অবক্ষয় থেকে রক্ষার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে।

জাতীয় ইমাম ও খতীব সংস্থা বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মাদক, সামাজিক অনিয়ম ও নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করাও ইমাম-খতীবদের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও ব্যাপকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান তারা।