দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কেশবপুরে সম্প্রীতি সমাবেশ

12

কেশবপুর(যশোর)  প্রতিনিধি:সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে হলে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাই পারে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে। এভাবেই বক্তব্যে শান্তি ও সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধান অতিথি কেশবপুর  উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় কেশবপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি, প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হয় এক সম্প্রীতি সমাবেশ। পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি), কেশবপুরের আয়োজনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন আলা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএম রাজু জাবেদ,এরিয়া কোডিনেটর হাঙ্গার প্রজেক্ট। আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ আশরাফুজ্জামান ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর  হাঙ্গার প্রজেক্ট। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পিএফজি’র সমন্বয়ক  মোঃ মুনছুর আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন মত, ধর্ম ও পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহমর্মিতা বৃদ্ধি না পেলে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বলেন, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা দেয় এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্মকে সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সমাজে বিভেদ নয়, বরং সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আলাউদ্দিন আলা বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রীতি বজায় থাকলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
সমাবেশে কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই, সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি, এই প্রতিপাদ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, সমাজে সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার চর্চা বাড়াতে এ ধরনের সম্প্রীতি সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

অনুষ্ঠান শেষে শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক ঐক্য বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়।