চারিদিকে দেশাত্মবোধক গানের সুর। লাল-সবুজের পতাকায় যেন পুরো দেশ সেজেছে। ২৬ মার্চ, বাঙালি জাতির মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দিবসটি বাঙালি জাতির জন্য একদিকে যেমন গৌরবের, তেমনি অন্যদিকে আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় দিন।
১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা এবং শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় দিবসটি পালন করছে পুরো জাতি। সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পাশাপাশি সারাদেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলায় প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠনসমূহ নিজ নিজ এলাকার শহীদ বেদি ও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে দেশজুড়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের বিস্তারিত সংবাদ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—
মৌলভীবাজার: ‘শোক থেকে শক্তি’ এই স্লোগানকে ধারণ করে মৌলভীবাজারে একটি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। এই পদযাত্রার মাধ্যমে মৌলভীবাজার গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে নতুন প্রজন্ম কর্তৃক শ্রীমঙ্গলের চা শ্রমিকদের গণকবরে সম্মিলিত শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে।
সকালে ভাড়াউড়া চা বাগানের স্মৃতিসৌধে পদযাত্রায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।
পরে মৌলভীবাজার গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী মজুমদার সবাইকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শপথবাক্য পাঠ করান।
শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোরে শরীয়তপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানান শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার একেএম নাসির উদ্দীন কালু শরীয়তপুরবাসীকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান এবং জেলার উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
রাঙামাটি: মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
সকালে নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিতে এই পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। স্বাধীনতার এই বীর সেনানীর সমাধিতে বিজিবি মহাপরিচালকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাঙামাটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু মোহাম্মদ সিদ্দিক আলম।
এরপর রাঙামাটি সদর সেক্টরের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক প্রদান করা হয়। এ সময় বিউগলের করুণ সুর বাজিয়ে সশস্ত্র সালাম প্রদান করে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয় জাতির এই সূর্যসন্তানকে। এছাড়া বীরশ্রেষ্ঠের আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
বান্দরবান: যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বান্দরবানে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হচ্ছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বান্দরবানের মেঘলায় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মহান শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
সকাল ৮টায় বান্দরবান জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি।
দিবসটি উপলক্ষে বান্দরবানে পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ফুল ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
কুড়িগ্রাম: ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা হয়।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, জেলার সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন কুড়িগ্রাম শহরের কলেজ মোড়ে স্বাধীনতা বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়া শহরের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক ও মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
নবাবগঞ্জ: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলা সদর স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পমাল্য দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রথমে রাত ১২টা ১ মিনিটে স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন।
সকাল থেকে উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাংস্কৃতিক সংগঠন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
সকাল সাড়ে ১০টায় নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শারীরিক কৌশল প্রদর্শনী করে। এসময় ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক উপস্থিত ছিলেন।
নেত্রকোণা: নেত্রকোণায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে মহান স্বাধীনতা দিবস। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ।
দিবসের সূচনায় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এরপর নেত্রকোণা স্টেডিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে। এতে অংশগ্রহণ করে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, বিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স, কারারক্ষী বাহিনীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন।
এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী কাবাডি খেলাসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে।
বরিশাল: বরিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোরবেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের সূচনা হয় এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
বরিশাল নগরের শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভাগীয় প্রশাসন থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বিএনপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দল ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
সকাল সোয়া ৮টায় বেলস পার্কে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে বিভিন্ন বাহিনীর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
বরিশাল মুক্তিযোদ্ধা পার্ক সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শন সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
রাজশাহী: যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে রাজশাহী জেলা পরিষদ। দিবসের প্রথম প্রহরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা) এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
নীলফামারী: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বাধীনতা স্মৃতি অম্লান চৌরঙ্গীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
এরপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ এবং অন্যান্য সুধীজন।
৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, হাসপাতাল, এতিমখানা ও কারাগারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী।
পাবনা (ঈশ্বরদী): মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের আওতাধীন ১২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
সকালে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) চত্বরের সামনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ফুলের শুভেচ্ছা তুলে দেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা।
যাদের সংবর্ধিত করা হয়েছে তারা হলেন— বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার অ্যাডভোকেট সদরুল হক সুধা, আ. বারী, নুরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, আব্দুল মজিদ, আমিরুল ইসলাম, আব্দুল ওয়াহাব, সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, জালাল হোসেন, আব্দুল করিম, সামছুল হক মধু।
বাগেরহাট: বাগেরহাটে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলার সকল সরকারি-বেসরকারি অফিসে পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভোর ৫টা ৫৯ মিনিটে বাগেরহাটের জেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
শাবিপ্রবি (সিলেট): শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১-এর সামনে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
চাঁদপুর: চাঁদপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দুপুরে চাঁদপুর ক্লাব মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম সরকার।
গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। দিনের শুরুতেই সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। শহীদদের স্মরণে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া গোপালগঞ্জ ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন ৭১-এর বধ্যভূমি ও জেলা স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।