দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সীমান্ত সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে বিজিবি

7

বেনাপোল প্রতিনিধিঃবর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন, অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ১৩৮ টি সংসদীয় আসনে ১৭২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করবে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি। এছাড়া নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে যাতে কোন ভাবে সীমান্ত পথে অস্ত্র ঢুকতে না পারে অন্য বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে বিজিবি।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বেনাপোলের দৌলতপুর সীমান্তে এক সংবাদ সম্মেলনে ২১ ব্যাটালিয়ন বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান এসব তথ্য জানান।

এসময় বিজিবি অধিনায়ক আরো বলেন, ১৮টি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৯৩টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় টহলের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র রেকি করার কাজও করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্যরা।

এছাড়াও খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) কর্তৃক নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে অপারেশন ডেভিল হান্ট-২ এ অংশগ্রহণ করছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন চলাকালীন দুষ্কৃতিকারীরা যাতে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জনসচেতনামূলক সভা নিয়মিত আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণকে নির্বাচনে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করার এবং সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিজিবি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, গত এক বছরে খুলনা ২১ ব্যাটালিয়ন বিজিবির চোরাচালান প্রতিরোধ অভিযানে ১৪ কোটি টাকা মুল্যের স্বর্ন,মাদক,আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য আটক করেছে।

এছাড়া যশোর রিজিয়নের ৭ টি ব্যাটালিয়নের ৬০০ কিলোমিটার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি। এসময় চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৮০ জন চোরাকারবারীকে আটক হয়েছে।এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ৫৮ কেজি স্বর্ন, ১২৪ কেজি রোপ্য,আগ্নেয়াস্ত্র ২৭ টি, ১৫২ রাউন্ড গুলি, ৪০ হাজার ইউএস ডলার,১ লাখ ১০ হাজার সৌদি রিয়াল,বিভিন্ন প্রকারের মাদক ২৮৩৯৩ বোতল, হেরোইন ৩৭ কেজি , ইয়াবা ২,৬৫৩৭৩ পিচ, ফেনসিডিল ৪৯ ০৮৮ বোতল, গাজা ১৬৭৭ কেজি ও বিভিন্ন প্রকারের মেডিসিন ২ লাখ ৬৫ হাজার ৩৭৩ পিচ।