মানববন্ধনে প্রদর্শিত ব্যানারে লেখা ছিল ১৭ মাস বেতন নাই! পারিশ্রমিক চাই, ভিক্ষা নয়, হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা কেন? খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল–জবাব চাই।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, চলতি ডিসেম্বর মাসসহ প্রায় দেড় বছর ধরে তারা বেতন পাচ্ছেন না। বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়ে এক দপ্তরের ওপর আরেক দপ্তর দায় চাপাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
কর্মচারীদের দাবি, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মো: রফিকুল ইসলাম গাজী এবং প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক তরিকুল ইসলাম গত ছয় মাস ধরে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠাননি। এর ফলে তাদের বেতন প্রদানের প্রক্রিয়া থমকে আছে।
আউটসোর্সিং কর্মচারীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের আউটসোর্সিং নীতিমালা ও হাইকোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতুন করে ১০৭ জন নিয়োগের উদ্দেশ্যে টেন্ডার ডাকার চেষ্টা করছে। এমনকি কোনও টেন্ডার ছাড়াই গোপনে সাতজনকে কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যমান কর্মীদের বাদ না দেওয়া স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও দীর্ঘ ৭–৮ বছর ধরে কর্মরত অভিজ্ঞ কর্মীদের চাকরিচ্যুত করার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। বেতন না পাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা মানবিক সংকটে পড়েছেন বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোঃ. মামুন হোসেন, মো. আব্দুর রহিম, শাহনাজ, মুর্শীদা, ছাত্তার, মাছুম, কাদের, শাহীন, সেতু, এরাশাদ, রাজেশ, দেবাশীষ, আলম, সাধন, দিপংকর, পরিমল, নিপা, আব্দুল হালিম খাঁ, আশিক, ফারুক, জসিমসহ হাসপাতালের নিয়োজিত আউটসোর্সিং কর্মচারীরা।
কর্মচারীরা দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ, চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দাবি জানান।