দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

ব্যানিজ্য কেন্দ্র পাটকেলঘাটার একমাত্র অডিটোরিয়াম যৌবন হারিয়ে আজ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সংস্কারের ওয়াদা করলেও ওয়াদা কেউ রাখেনি।

33

এমএম জামান মনি পাটকেলঘাটা থেকে :জানা গেছে, ১৯৭৯সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের আমলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আফতাব উদদীন এমপি পাটকেলঘাটা হাই স্কুলের মধ্যে একটি অডিটোরিয়াম নিমান করার পরিকল্পনা করেন।

তৎকালীন সময়ের স্কুলে জমিদাতা তালা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত এবিএম আলতাফ হোসেন,তৎকালীন সময়ের সাধারন সম্পাদক জমিদাতা প্রয়াত মফিদুল ইসলাম, জমিদাতা প্রয়াত আবু বক্কার, তৎকালীন সময়ের প্রধান শিক্ষক পশুপতি সহ ১০সদস্যের একটি বাস্তবায়ন কমিটি করেন।এক হাজার লোক বসার একটি হাউস বিল্ডিং করা হয়।একই হাউস একটি উঁচু বিশাল স্টেজ তৈরি করা হয়।দক্ষিন পাশে বিশাল দুটি রেস্ট রুম করা হয়।

উপরে টিনের ছাউনি তৈরি করা হয়। গরমের দিনের কথা চিন্তা করে বড় বড় জানালা তৈরি করা হয়। এক বছর সময় লাগে। ১৯৮০ সালের আনুষ্ঠানিক ভাবে বিশাল আয়োজনে ঐতিহাসিক অডিটোরিয়াম টি উদ্বোধন করা হয়।

এরপর থেকে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেই থেকে রাজনৈতিক দলের মিটিং, সভা, সমাবেশ,সাংসকৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষকদের টেনিনং, দ্বজি প্রশিক্ষণ সহ বিভিন্ন ধরনের সভা সমাবেশ চলতে থাকে। অডিটোরিয়াম এর গেটের চাবী আগে থাকতো স্কুলের হাতে। ১৯৯৬ সাল থেকে এটি এবং টিউটোরিয়ালের গেটের চাবি গুলো মাহফিজলে নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব চলে যায়। তখন থেকে অডিটোরিয়ামের কোন প্রোগ্রাম করতে হলে ইউ নো অনুমতি নিতে হয় পাটকেলঘাটা অনুষ্ঠান করা যুগের সাথে মানুষ নতুন খোলামেলা জায়গায় অনুষ্ঠান করতে শুরু করে। একদিকে ভাবনের জরাজীর্ণতা অন্যদিকে ওই স্কুলে কেক্ষ অডিটোিরিয়ামে ক্লাস শুরু করে। এদিকে ধীরে ধীরে ভবনের টিনের চাল দিয়ে পানি পড়তে থাকে স্টেজে নোংরা পরিবেশ তৈরি হয়। ফোনটা একটা ঝুঁকিপূর্ণ ঝরাজীর্ণ অবস্থায় বা পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয়। ইস্কুল কর্তৃপক্ষ এই অডিটোরামের তেমন কোনো দেখা ভালো করে না। এমন অবস্থায় ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাটকেলঘাটার কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরে অডিটোরামটির সংস্কার করে কাজের উদ্যোগ নেন। ২০১১ সালের দিকে কি আর প্রকল্পের জন্য দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেন।

প্রকল্প কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন পাটখিলাটা ইস্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক তৎকালীন সময়ের সুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শেখ আব্দুল হাই। তিনি যেখানে রং ছুটে গেছে এবং উঠে গেছে সেখানে কিছু সংস্কার করে এক বান তাছাড়া ভাবে সংস্কার করেন বাকি টাকাতে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হয়। বিষয়টি তৎকালের সময় আওয়ামী লীগের নেতারা ইন্দিরা শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে অভিযোগ দিলে সরাসরি প্রদর্শন পরিদর্শন করেন এবং তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন।
এদিকে বিএনপি’র এমপিও এই অডিটোরিয়ামের দিকে তেমন নজর দেননি।২০১৪ সালে মহাজোট সরকারের সংসদ সদস্য কমরেড মুস্তফা লুতফুল্লহ ও একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তিনি ওয়াদা করেছিলেন কিন্তু আমলে নেননি। তিনি কোন দেননি বলে সর্বজনের অভিমত।

এদিকে জাতীয় পার্টি সরকারের সময়কার তথ্য প্রতিমন্ত্রী তালা বুঝলে কৃতির সন্তান সৈয়দ দিদার বখত্ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের প্রতিবেদক কে বলেন, পাটকেলঘাটা অডিটোরিয়াম টি তালা উপজেলার একটা সম্পাদ। সাবেক আফতাব ভাই এই অডিটোিয়ামটি অনেক কষ্ট করে তৈরি করেছিলেন।। এখানে অনেক প্রোগ্রাম করেছি। তিনি আরো বলেন, আমি চেয়েছিলাম দরদ ছিলে অডিটোরিয়াল আমি এটি পূর্ণাঙ্গ অডিটোরিয়াম রুপান্তর করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য 90 সালে সরকার পতনের কারণে সেটি করা আর ভাগ্যে জোটেনি। তিনি আরো বলেন তৎকালীন সময়ে বস্ত্র মন্ত্রী মুনসুর ভাইয়ের অবদান রয়েছে।

যুগপুকুর ইয়ার রেজাউল বিশ্বাস, জাসদ নেতা আবুল কালাম আজাদ মিলন, পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের সব প্রতি শিকার আব্দুল মমিন সাবেক সভাপতি শেখ জহুরুল হক বলেন পাটকেলঘাটা অডিটোরিয়াম টি এখন জরাজীর্ণ জানালার দরজা গুলো খুলে নিয়ে গেছে নেশাখোর চোরের দলেরা। দেখার কেউ নেই।
এদেরকে হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম তিনি বলেন এটা সংস্কার করার কোন অর্থ আমাদের ফান্ডে নাই।

তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপা রানী সরকার আমাদের প্রতিবেদক জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে সরকারি কোন অর্থ নেই। যদি পাই তাহলে বিষয়টি দেখব।