দৈনিক খুলনা
The news is by your side.

ত্রয়োদশ সংসদে নির্বাচনে ১০৭ নারী প্রার্থী, কোন দলে কত?

67

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০৭ নারী প্রার্থী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ২ হাজার ৫৬৯ জন প্রার্থীর মধ্যে নারীর সংখ্যা মাত্র ১০৮ জন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১০৭ জনে। অর্থাৎ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থীর হার মাত্র ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বিভিন্ন দলের মনোনয়ন যাচাই করে দেখা গেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ১০ জন নারীকে মনোনয়ন দিয়েছে। ঘোষিত তালিকায় বিএনপির নারী প্রার্থীরা হলেন- নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন, যশোর-২ আসনে মোছা. সাবিরা সুলতানা, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টু, শেরপুর-১ আসনে সানসিলা জেবরিন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম তুলি, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ, সিলেট-২ আসনে মোছা. তাহসিনা রুশদীর, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল এবং মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা মিঠু।

নির্বাচনে বিএনপির পাশাপাশি এনসিপি নারী প্রার্থী দিয়েছে ৩ জন। জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) ৫ জন, গণসংহতি আন্দোলন ৪ জন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ৩ জন এবং গণঅধিকার পরিষদ ৩ জন নারী প্রার্থী দিয়েছে। আর একজনকেও মনোনয়ন দেয়নি জামায়াত।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ১০৭ জন নারী প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪০ জন নারী। এর মধ্যে অন্যতম রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং ডা. তাসনিম জারা। যিনি সম্প্রতি সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি তাদের জোটের শরিক দলকে ছাড় দেওয়ায় রুমিন ফারহানা দলীয় টিকিট পাননি। ফলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এবং এর জেরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত আগস্টে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে ‘জুলাই সনদ’-এর যে খসড়া পাঠিয়েছিল, সেখানে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ছিল। এতে বলা হয়েছিল, ৩০০ আসনের বিপরীতে দলগুলোকে ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দিতে হবে। কিন্তু বিএনপি, জামায়াত বা জাতীয় পার্টির মতো বড় কোনো দলই এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি।